সালাত বা নামাজের পরিচয় ও গুরুত্ব
পরিচয়
সালাত আরবি শব্দ। এর ফার্সি প্রতিশব্দ হলো নামায। এর অর্থ দোয়া, ক্ষমা প্রার্থনা করা ও রহমত (দয়া) কামনা করা। যেহেতু সালাতের মাধ্যমে বান্দা প্রভুর নিকট দোয়া করে, দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করে থারে তাই একে সালাত বলা হয়। ইসলাম যে পাঁচটি রুকনের (স্তম্ভের) ওপর প্রতিষ্ঠিত-তার দ্বিতীয়টি হলে সালাত।
এ সম্পর্কে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন-
يُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ اَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَإِقَامِ الصَّلُوةِ وَإِبْتَاءِ
الزَّلُوةِ وَالْحَقِّ وَصَوْمِ رَمَضَانَ
অর্থঃ ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো মাবুদ নেই, মুহাম্মদ (স.) তার বান্দা ও রাসুল এবং সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা, হজ করা এবং রমযানের রোযা রাখা (বুখারি ও মুসলিম)।
কিয়ামতের দিন আল্লাহ সর্বপ্রথম সালাতের হিসাব নেবেন। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন-
أَوَّلُ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الصَّلُوةُ
অর্থঃ কিয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম সালাতের হিসাব নেওয়া হবে (তিরমিযি)।
মহান আল্লাহ মুমিনের ওপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ (আবশ্যক) করেছেন। তা হলো-ফজর, যোহর,আসর, মাগরিব ও এশা। সালাত একজন মুমিনকে (বিশ্বাসী) মন্দ ও গর্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে।
সালাত আরবি শব্দ। এর ফার্সি প্রতিশব্দ হলো নামায। এর অর্থ দোয়া, ক্ষমা প্রার্থনা করা ও রহমত (দয়া) কামনা করা। যেহেতু সালাতের মাধ্যমে বান্দা প্রভুর নিকট দোয়া করে, দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করে থারে তাই একে সালাত বলা হয়। ইসলাম যে পাঁচটি রুকনের (স্তম্ভের) ওপর প্রতিষ্ঠিত-তার দ্বিতীয়টি হলে সালাত।
এ সম্পর্কে মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন-
يُنِيَ الْإِسْلَامُ عَلَى خَمْسٍ شَهَادَةِ اَنْ لَّا إِلَهَ إِلَّا اللهُ وَأَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ وَإِقَامِ الصَّلُوةِ وَإِبْتَاءِ
الزَّلُوةِ وَالْحَقِّ وَصَوْمِ رَمَضَانَ
অর্থঃ ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এ সাক্ষ্য দেওয়া যে, আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো মাবুদ নেই, মুহাম্মদ (স.) তার বান্দা ও রাসুল এবং সালাত কায়েম করা, যাকাত প্রদান করা, হজ করা এবং রমযানের রোযা রাখা (বুখারি ও মুসলিম)।
কিয়ামতের দিন আল্লাহ সর্বপ্রথম সালাতের হিসাব নেবেন। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন-
أَوَّلُ مَا يُحَاسَبُ بِهِ الْعَبْدُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ الصَّلُوةُ
অর্থঃ কিয়ামতের দিন বান্দার কাছ থেকে সর্বপ্রথম সালাতের হিসাব নেওয়া হবে (তিরমিযি)।
মহান আল্লাহ মুমিনের ওপর দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ফরজ (আবশ্যক) করেছেন। তা হলো-ফজর, যোহর,আসর, মাগরিব ও এশা। সালাত একজন মুমিনকে (বিশ্বাসী) মন্দ ও গর্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে।
আল্লাহ তায়ালা বলেন-
إِنَّ الصَّلوةَ تَنْهَى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ ،
অর্থঃ নিশ্চয়ই সালাত মানুষকে অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে (সূরা আল-'আনকাবুত, আয়াত ৪৫)।
إِنَّ الصَّلوةَ تَنْهَى عَنِ الْفَحْشَاءِ وَالْمُنْكَرِ ،
অর্থঃ নিশ্চয়ই সালাত মানুষকে অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে (সূরা আল-'আনকাবুত, আয়াত ৪৫)।
শরিয়ত অনুমোদিত কারণ ব্যতীত কখনোই সালাত ত্যাগ করা যাবে না।
ধর্মীয় গুরুত্ব
একজন মুসলিমের দৈনন্দিন জীবনে সালাতের গুরুত্ব অপরিসীম। সালাত মানুষকে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে বান্দা তার প্রভুর সান্নিধ্য লাভ করতে পারে। ইমান মজবুত হয়, আত্মা পরিশুদ্ধ হয়। মানুষকে খুব সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে অভ্যস্ত করে তোলে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
সালাতের গুরুত্ব সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি মনোযোগসহ সালাত আদায় করে, কিয়ামতের দিন ঐ সালাত তার জন্য নূর হবে" (তাবারানি)।
##একবার হযরত মুহাম্মদ (স.) সাহাবিদের লক্ষ্য করে বললেন- 'যদি কারও বাড়ির পাশ দিয়ে একটি নহর প্রবাহিত হয় এবং সেই বাড়ির লোক প্রতিদিন পাঁচবার ঐ নদীতে গোসল করে, তাহলে কি তার শরীরে কোনো ময়লা-আবর্জনা থাকবে?' সাহাবিগণ উত্তরে বললেন, 'না' হে আল্লাহর রাসুল। তখন মহানবি (স.) বললেন- পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ঠিক তেমনি তার (সালাত আদায়কারীর) গুনাহসমূহ দূর করে দেয়। (বুখারি ও মুসলিম)
মহানবি (স.) আরও বলেছেন, "সালাত হলো ইমান ও কুফরের মধ্যে বিভেদকারী বা পার্থক্যকারী” (তিরমিযি)।
মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) জামাআতের সাথে সালাত আদায় করার গুরুত্ব বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, 'জামাআতে সালাত আদায় করলে একাকী আদায় করার চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি সাওয়াব পাওয়া যায়।" (বুখারি ও মুসলিম)
আর আল্লাহ তায়ালাও সালাতকে জামাআতের সাথে আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন।
একজন মুসলিমের দৈনন্দিন জীবনে সালাতের গুরুত্ব অপরিসীম। সালাত মানুষকে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সহায়তা করে। এর মাধ্যমে বান্দা তার প্রভুর সান্নিধ্য লাভ করতে পারে। ইমান মজবুত হয়, আত্মা পরিশুদ্ধ হয়। মানুষকে খুব সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠতে অভ্যস্ত করে তোলে, যা স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
সালাতের গুরুত্ব সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, "যে ব্যক্তি মনোযোগসহ সালাত আদায় করে, কিয়ামতের দিন ঐ সালাত তার জন্য নূর হবে" (তাবারানি)।
##একবার হযরত মুহাম্মদ (স.) সাহাবিদের লক্ষ্য করে বললেন- 'যদি কারও বাড়ির পাশ দিয়ে একটি নহর প্রবাহিত হয় এবং সেই বাড়ির লোক প্রতিদিন পাঁচবার ঐ নদীতে গোসল করে, তাহলে কি তার শরীরে কোনো ময়লা-আবর্জনা থাকবে?' সাহাবিগণ উত্তরে বললেন, 'না' হে আল্লাহর রাসুল। তখন মহানবি (স.) বললেন- পাঁচ ওয়াক্ত সালাত ঠিক তেমনি তার (সালাত আদায়কারীর) গুনাহসমূহ দূর করে দেয়। (বুখারি ও মুসলিম)
মহানবি (স.) আরও বলেছেন, "সালাত হলো ইমান ও কুফরের মধ্যে বিভেদকারী বা পার্থক্যকারী” (তিরমিযি)।
মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স.) জামাআতের সাথে সালাত আদায় করার গুরুত্ব বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, 'জামাআতে সালাত আদায় করলে একাকী আদায় করার চেয়ে সাতাশ গুণ বেশি সাওয়াব পাওয়া যায়।" (বুখারি ও মুসলিম)
আর আল্লাহ তায়ালাও সালাতকে জামাআতের সাথে আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন।
আল্লাহ তায়ালা বলেন-
وَارْكَعُوا مَعَ الرَّاكِعِينَ )
অর্থঃআর তোমরা রুকুকারীদের সাথে রুকু কর (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ৪৩)।
وَارْكَعُوا مَعَ الرَّاكِعِينَ )
অর্থঃআর তোমরা রুকুকারীদের সাথে রুকু কর (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ৪৩)।
সামাজিক গুরুত্ব
পবিত্র কুরআনের বহুস্থানে জামাআতে সালাত আদায় করার কথা বলা হয়েছে। সালাতের কারণে দৈনিক পাঁচবার মুসলমানগণ একস্থানে মিলিত হওয়ার সুযোগ পায়। একে-অপরের খোঁজ-খবর নিতে পারে। সুখে-দুঃখে একে অপরের সহযোগিতা করতে পারে। এতে তাদের মধ্যে সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।
এমনকি সালাতের সারিতে দাঁড়াতে গিয়ে উঁচু-নিচু কোনো ভেদাভেদ থাকে না। ফলে সালাত আদায়কারীদের মধ্যে সাম্য সৃষ্টি হয়। সালাত আদায়ের মাধ্যমে মানুষ পারস্পরিক সকল মতপার্থক্য ভুলে একসাথে কাজ করার শিক্ষা পায়।
সালাত আমাদেরকে সময়ের গুরুত্ব ও শৃঙ্খলাবোধ শিক্ষা দেয়। নেতার অনুসরণ করতে এবং নিয়মতান্ত্রিক ও পরিচ্ছন্ন জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে। আমরা সময়ের প্রতি লক্ষ রেখে নিয়মিত সালাত আদায় করব। জীবনরে সুন্দর করে গড়ে তুলব।
THANKS FOR READ
SK TIPS POINT
পবিত্র কুরআনের বহুস্থানে জামাআতে সালাত আদায় করার কথা বলা হয়েছে। সালাতের কারণে দৈনিক পাঁচবার মুসলমানগণ একস্থানে মিলিত হওয়ার সুযোগ পায়। একে-অপরের খোঁজ-খবর নিতে পারে। সুখে-দুঃখে একে অপরের সহযোগিতা করতে পারে। এতে তাদের মধ্যে সামাজিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।
এমনকি সালাতের সারিতে দাঁড়াতে গিয়ে উঁচু-নিচু কোনো ভেদাভেদ থাকে না। ফলে সালাত আদায়কারীদের মধ্যে সাম্য সৃষ্টি হয়। সালাত আদায়ের মাধ্যমে মানুষ পারস্পরিক সকল মতপার্থক্য ভুলে একসাথে কাজ করার শিক্ষা পায়।
সালাত আমাদেরকে সময়ের গুরুত্ব ও শৃঙ্খলাবোধ শিক্ষা দেয়। নেতার অনুসরণ করতে এবং নিয়মতান্ত্রিক ও পরিচ্ছন্ন জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধ করে। আমরা সময়ের প্রতি লক্ষ রেখে নিয়মিত সালাত আদায় করব। জীবনরে সুন্দর করে গড়ে তুলব।
THANKS FOR READ
SK TIPS POINT

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url